চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে অবস্থান নেয় নেতাকর্মীরা। তবে এ ঘটনা ও গাড়ি আটকের কারণ নিয়ে পুলিশ ও ওই ছাত্রদল নেতার মধ্যে চরম পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামান আক্তারের দাবি, তার মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছিল। কিন্তু সোমবার বিকেলে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। প্রতিবাদে ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করার চেষ্টা করলে পুলিশ তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়।
পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয় ঘেরাওয়ের কথা অস্বীকার করে তিনি জানান, মূল ঘটনা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জানাতেই তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এসপি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে রাতে তার মোবাইল ও মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়া হয়।
তবে ছাত্রদল নেতার এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএন এম ওওয়াসিম ফিরোজ। তিনি জানায়, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা হেলমেট কোনোটিই ছিল না। তল্লাশির সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করায় তার মোবাইল ফোনটি নিয়ে সেটি ডিলিট করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি নিজেই মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন রেখে স্থান ত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে ছাত্রদলের ৫০-৬০ জন নেতাকর্মী এসপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিলে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। মোবাইল ফেরত দেওয়া হলেও নিয়ম ভেঙে চালানো মোটরসাইকেলটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
জ/বা