খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ তৈরি এবং উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ বুধবার বিকেলে বগুড়ায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আমিনুল হক বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন করে কাজ করছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাঠ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বগুড়ায় ‘আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত বগুড়ায় একটি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং শিগগিরই এর বাস্তবায়ন করা হবে।
খেলার মাঠে দর্শকদের বসার জায়গার সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাঠের চারপাশে খুব দ্রুত গ্যালারি নির্মাণ করা হবে। ভবিষ্যতে ওই গ্যালারিতে বসে দর্শকরা স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।
নিজের সঙ্গে এই মাঠের পুরোনো স্মৃতিও স্মরণ করেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে তিনি নিজে এই মাঠে এসে খেলেছেন। সেই মাঠে আবার ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত থাকতে পেরে তার সত্যিই ভালো লাগছে।
দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ের কথা জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের মাদক ও নানা ধরনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার পরিসর আরও বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, সন্তানদের ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, মাদকমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন আমিনুল হক।
জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বগুড়া সিটি করপোরেশন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
জ/উ