নিষিদ্ধ আ.লীগে নেতৃত্ব নিয়ে নতুন ভাবনা

জবাবদিহি ডেস্ক

রাজনীতি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নতুন ভাবনা শুরু হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগ করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতির দায়িত্ব কে পালন করবেন, সে বিষয়ে একটি বার্তা এরই মধ্যে সামনে এসেছে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকছেন, নাকি নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এ নিয়ে দলের ভেতরে চলছে নানা আলোচনা।

2026-09-08T12:54:16+06:00
2026-09-08T12:54:16+06:00
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইপেপার  বাংলা English
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
রাজনীতি
নিষিদ্ধ আ.লীগে নেতৃত্ব নিয়ে নতুন ভাবনা
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম 
নিষিদ্ধ আ.লীগে নেতৃত্ব নিয়ে নতুন ভাবনা
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নতুন ভাবনা শুরু হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগ করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতির দায়িত্ব কে পালন করবেন, সে বিষয়ে একটি বার্তা এরই মধ্যে সামনে এসেছে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকছেন, নাকি নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এ নিয়ে দলের ভেতরে চলছে নানা আলোচনা।

দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের দাবি, ওবায়দুল কাদের আর সাধারণ সম্পাদক থাকছেন না। জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা, সাংগঠনিক ব্যর্থতা এবং দলকে সংকটের মধ্যে ফেলার দায়ে তার সরে যাওয়া অনেকটাই নিশ্চিত। ওবায়দুল কাদের নিজেও এক ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে তার জায়গায় কে আসছেন, তা নিয়েই এখন আওয়ামী লীগের ভেতরে নানা হিসাবনিকাশ চলছে। নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রবাসে থাকা কেউ, দেশে অবস্থানকারী কেউ কিংবা কারাগারে থাকা কোনো নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না, এ নিয়ে দলের বিভিন্ন অংশে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই কার্যত  নেতৃত্বশূন্যতায় পড়ে দলটি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার আগে-পরে গোপনে দেশ ছাড়েন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও সাবেক মন্ত্রী। আবার অনেক নেতা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তাদের কারও উপস্থিতিতে, আবার কারও অনুপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাধিক মামলার বিচার চলছে। জুলাই গণহত্যার অভিযোগে একটি মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা। দলের বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তির নেতাদের সামনে এনে একটি ‘পরিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ’ গঠনের কথাও আলোচনায় আসে। এক্ষেত্রে কখনো সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী, কখনো নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, কখনো সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, কখনো সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজীম আহমদ সোহেল তাজকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে সোহেল তাজ ছাড়া বাকিরা গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে অবস্থান করেও ভার্চুয়াল মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন শেখ হাসিনা। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে চলতি বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দেন তিনি। তার সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত অন্য নেতারাও দেশে ফিরে আইনি মোকাবিলা করবেন বলে জানিয়েছেন। এরপর থেকেই ‘পরিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ’-এর আলোচনা অনেকটাই আড়ালে চলে যায়। তবে সাম্প্রতিক নানা ঘটনায় ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি দেশে ফিরে কারাবরণ করলে কিংবা তার অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র শেখ ফজলুল করিম সেলিম ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে ভারতের কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। দলের গঠনতান্ত্রিক কাঠামোতেও এমনই বলা আছে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে কে থাকবেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।

ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ডজনখানেক নেতা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ওবায়দুল কাদেরকে আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হচ্ছে না। তাদের মতে, বিদেশে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের সরাসরি কিংবা ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভা-সেমিনারে ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। ভারতে অবস্থানরত দলের নেতারাও তার সঙ্গে খুব বেশি যোগাযোগ রাখছেন না। এসব নেতার অভিযোগ, দলের সাংগঠনিক ভঙ্গুরতা এবং জুলাই আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য ওবায়দুল কাদেরের ভূমিকা নিয়ে দলের ভেতরে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে। এরই মধ্যে নিজের পদে না থাকার ইঙ্গিত দিয়ে রবিবার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে ওবায়দুল কাদের লিখেছেন, ‘নতুন সময়ের জন্য নতুন মানুষ এবং নতুন ধারণা প্রয়োজন। আমাদের উচিত নতুন প্রজন্মের কাছে বাটন তুলে দেওয়া।’ তার এ বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের ভেতরে নতুন সাধারণ সম্পাদক নিয়োগের বিষয়টি আরও জোরালো হয়েছে। এখন প্রশ্ন, কে আসছেন তার জায়গায়?

দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ সম্পাদক পদে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব না দিয়ে আপাতত ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্য থেকে কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। দলের একটি অংশ বিদেশে অবস্থান করেও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন, এমন কাউকে চায়। তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের বাইরে থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের নামও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নামও রয়েছে সম্ভাব্য তালিকায়।

অন্য একটি পক্ষ অবশ্য দেশের বাইরে অবস্থানকারী কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার বিপক্ষে। তাদের যুক্তি, দেশে থাকা নেতাকর্মীরা যখন হামলা, মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখে রয়েছেন, তখন বিদেশে নিরাপদ অবস্থানে থাকা কাউকে নেতৃত্বে বসালে তৃণমূলের মধ্যে ক্ষোভ এবং হতাশা আরও বাড়বে। তাদের মতে, কারাগারে থাকা কোনো নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে নেতাকর্মীরা মানসিকভাবে বেশি স্বস্তি পাবেন। তারা মনে করবেন, তাদের নেতাও একইভাবে কারাগারে রয়েছেন; ফলে মাঠপর্যায়ের কর্মীরাও সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় থাকতে উৎসাহ পাবেন। এক্ষেত্রে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির নাম আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খানের নামও কোনো কোনো মহলে পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে জামিনে থাকা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম এখন আর আগের মতো আলোচনায় নেই। বিদেশে অবস্থানরত দলের অনেক নেতার অভিযোগ, উল্লিখিত নেতারা বিএনপি এবং এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে কারাগার থেকে বের হয়েছেন। বিষয়টি তারা সন্দেহজনক হিসেবে দেখছেন।

দলের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে প্রবীণ রাজনীতিক শেখ ফজলুল করিম সেলিমকে বেছে নেওয়া হলে সাধারণ সম্পাদক পদে একেবারেই তরুণ কাউকে সামনে আনা হতে পারে। এক্ষেত্রে ক্রিকেট অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নামও বেশ আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের পরিবর্তে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতের নামও কোনো কোনো মহলে আলোচিত হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা মধ্যমসারির নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ ‘পরিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ’ না হলেও দলটির আমূল সংস্কার করে ক্লিন ইমেজের নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজনীতিতে ফেরার দাবি তুলছে। তাদের অভিযোগ, দলের তৃণমূলে যখন নতুন নেতৃত্ব ও সংস্কারের দাবি উঠছে, তখন শীর্ষ পর্যায়ে আবারও পুরনো মুখ এবং আত্মীয়তোষণের বৃত্তেই দল ঘুরপাক খাচ্ছে।

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে শেখ ফজলুল করিম সেলিমকে দায়িত্ব দেওয়ার বার্তা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দলের ভেতরে ও মাঠপর্যায়ে ক্ষোভ, হতাশা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অস্তিত্ব সংকটে থাকা দলটির সামনে শেখ সেলিমের মতো বিতর্কিত ও পরিবারকেন্দ্রিক প্রভাববলয়ের একজন নেতাকে সামনে আনার ঘোষণাকে তৃণমূলের একটি অংশ কোনোভাবেই ইতিবাচক মনে করছে না। দলের মধ্যমসারির নেতা, সাবেক ছাত্রনেতা ও অপেক্ষাকৃত তরুণ অংশের দাবি— আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রাখতে হলে দলটিকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। বিগত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী আচরণের বিষয়ে আত্মসমালোচনা ও অনুশোচনা প্রকাশ করে ক্লিন ইমেজের এবং অপেক্ষাকৃত কম বিতর্কিত নেতাদের সামনে আনতে হবে। তাদের মাধ্যমে দলকে নতুনভাবে শুরু করতে হবে। কিন্তু শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বার্তায় পরিষ্কার হয়েছে, তিনি পরিবারকেন্দ্রিক ও বিশ্বস্ত পুরনো বৃত্তের বাইরে দল হস্তান্তর করতে নারাজ— এমন অভিযোগ সংস্কারপন্থীদের। এতে দলের সংস্কারকামী অংশটির ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন তারা।

আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বের একটি অংশ বর্তমানে ভারত ও পশ্চিমা বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত তরুণ ও মধ্যমসারির অনেক নেতাকর্মী দেশের ভেতরে আত্মগোপনে রয়েছেন। বিদেশে থাকা প্রভাবশালী নেতারা বাস্তব মাঠের পরিস্থিতি বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে দেশের ভেতরে থাকা কর্মীদের।

শেখ সেলিমকে এককভাবে দায়িত্ব দেওয়ার ইঙ্গিতে দলের অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যেও অসন্তোষ বাড়ছে। সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক অভিজ্ঞ নেতা নিজেদের সিনিয়র ও গ্রহণযোগ্য মনে করলেও শেখ পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে শেখ সেলিমকে সামনে আনা হলে তারা উপেক্ষিত হচ্ছেন এমন ধারণা থেকে ভেতরে ভেতরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দম্ভ, অর্থবিত্ত ও প্রভাবশালীদের যে সিন্ডিকেট দলটিকে সাধারণ মানুষ এবং দলের আদর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছিল, শেখ সেলিম ছিলেন সেই বলয়ের অন্যতম শীর্ষ সুবিধাভোগী মুখ। শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিচয়ের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি ও তার পরিবার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। অথচ রাজপথের কঠিন সময়ে তার কোনো কার্যকর ভূমিকা তৃণমূল দেখেনি এমন অভিযোগ তাদের।

৫ আগস্টের পর সারা দেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী যখন মামলা-হামলার শিকার হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তখন বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে কিংবা অন্তরালে থাকা এমন একজন নেতার হাতে নেতৃত্ব অর্পণের ঘোষণাকে ‘আত্মঘাতী’ বলছে কর্মীদের একটি অংশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের সভাপতিমণ্ডলীর  এক সদস্য বলেছেন, ‘রাজনীতি করে আর লাভ কী। দিনশেষে পরিবারই আসল।’

জেলা পর্যায়ের তিন নেতা এ প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘আমরা মাঠে রক্ত-ঘাম দেওয়া কর্মীরা আজ নিঃস্ব। অথচ আবার সেই আত্মীয়তোষণ ও বিতর্কিত মুখ চাপিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। সেলিম সাহেবদের মতো জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের কারণেই দল আজ এই ভয়াবহ পরিণতিতে পড়েছে। তাদের নেতৃত্বে বসালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার কোনো সুযোগ আর থাকবে না।’


জ/রা




  বিষয়:   নিষিদ্ধ  আওয়ামী লীগ  নেতৃত্ব  বিতর্কিত  ব্যর্থতা  পতন 



Advertisement
Loading...
Loading...
রাজনীতি - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]