জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুইটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। আজ বৃহস্পতিবার সশরীরে আদালতে গিয়ে জামিন আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে তার আবেদন ফিরিয়ে দেন হাইকোর্ট।
রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি দায়ের হয়। এতে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান।
এ মামলায় সাংবাদিকদের মধ্যেও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ও এটিএন নিউজের মুন্নী সাহা। শিক্ষকদের মধ্যে জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুনসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অন্য একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ওই দুই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। কিন্তু শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন ফিরিয়ে দেন।
জ/উ