‘এশিয়ার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত মর্যাদাপূর্ণ র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ২০২৬ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন। এবার রুনা খানের সঙ্গে আরও দুজন এই সম্মাননা পেয়েছেন। তারা হলেন সিঙ্গাপুরের টমি কোহ ও মিয়ানমারের বো চি।
ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুরস্কারের ৬৮তম আসরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেতৃত্বের চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং পিছিয়ে পড়া মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নেওয়ার সক্ষমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে রুনা খানকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। একই বছর তার স্মৃতি সংরক্ষণে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরের বছর, ১৯৫৮ সাল থেকে এই পুরস্কার নিয়মিত দেওয়া শুরু হয়।
প্রতিবছর ৩১ আগস্ট ফিলিপাইনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিনে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
পুরস্কারটির ঐতিহাসিক কাঠামো অনুযায়ী, ১৯৫৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ছয়টি নির্দিষ্ট বিভাগে এটি দেওয়া হতো। বিভাগগুলো ছিল-সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব।
ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ২০০০ সালে ‘উদীয়মান নেতৃত্ব’ বিভাগটি যুক্ত করা হয়। তবে ২০০৯ সাল থেকে ‘উদীয়মান নেতৃত্ব’ ছাড়া অন্যান্য নির্দিষ্ট বিভাগগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
জ/উ