জবাবদিহি ডেস্ক

আইন-আদালত

2026-08-24T12:56:32+06:00
2026-08-24T12:56:32+06:00
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলা English
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
Advertisement
আইন-আদালত
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিক ট্রাইব্যুনালে
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম 
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতাকে দমনে উসকানির অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এ বিষয়ে আজ ট্রাইব্যুনালে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

অপর দুই সাংবাদিক হলেন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক ফারজানা রুপা। শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক থাকার পাশাপাশি ভোরের কাগজের সম্পাদক ছিলেন।

প্রসিকিউশন জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গত ১৭ আগস্ট তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়েছিল রাষ্ট্রপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। ওই দিন তাঁকে প্রশ্ন করার নামে কয়েকজন সাংবাদিক উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন শেখ হাসিনা।

প্রসিকিউটর বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব। তবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে নির্দিষ্ট কিছু সাংবাদিক নিয়মিত উপস্থিত হতেন। তাঁদের বক্তব্যকে প্রশ্ন না বলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা এবং তাঁকে দিয়ে নির্দিষ্ট বক্তব্য দেওয়ানোর জন্য উসকানিমূলক প্রস্তাব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এসবের কারণেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি প্রসিকিউশনের।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, এটি কোনো পুরোনো মামলার অংশ নয়। নতুন করে করা ‘মিস কেস’ বা বিবিধ মামলা হিসেবে বিষয়টি নথিভুক্ত হয়েছে। এতে ১৪ জুলাইয়ের উসকানিমূলক প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

জ/উ






Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]