অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠপর্যায়েই নিষ্পত্তি করা যাবে। এ ধরনের ‘ক’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষমতা উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকদের দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য ও দলিলাদি গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে এনআইডির আবেদন ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অনুমোদন বা বাতিলের সময় সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (সিএমএস) কারণ বা নোট উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা অধীন কর্মকর্তাদের কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। পরে নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন তৈরি করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর অভ্যন্তরীণ অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।
পরিপত্রে কিছু ক্ষেত্রে মহাপরিচালক পর্যায়ে অনুমোদনের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখের সঙ্গে নিজের নাম ও বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের আবেদন শুধু মহাপরিচালক পর্যায়েই নিষ্পত্তি করা হবে।
এ ছাড়া কোনো নাগরিকের জন্মতারিখ, নিজের নাম ও বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরিপত্রের নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জ/উ