আজ ৪ নভেম্বর, বাংলাদেশের সংবিধান দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সে হিসাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৫৪ বছর পূর্ণ হলো এ বছর।
সাংবিধানিক আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। স্বাধীন রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও দায়িত্বের বিভাজন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি-সবকিছুই সংবিধানের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতার প্রায় ১০ মাস পর ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন সংবিধানের খসড়া বিল আকারে উত্থাপন করেন। এরপর কয়েক দফা আলোচনা ও সংশোধনীর মধ্য দিয়ে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর প্রায় ৭৩ ঘণ্টা আলোচনা ও বিতর্কের পর গণপরিষদে সংবিধানটি অনুমোদিত হয়। একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশের মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও সাতটি তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতি হিসেবে এতে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
জ/দি