পদ্মা ব্যারাজে বদলে যেতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চিত্র

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-11-02T12:06:29+06:00
2026-11-02T12:06:29+06:00
সোমবার ● ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
পদ্মা ব্যারাজে বদলে যেতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চিত্র
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ১২:০৬ পিএম | ২ নভেম্বর, ২০২৬ | সোমবার
সংগৃহীত ছবি
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি, কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। সরকারের এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট কমার পাশাপাশি বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। একই সঙ্গে পানি ও মাটির লবণাক্ততা কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দাবি, পদ্মা ব্যারাজ নির্মিত হলে বছরে মাছের উৎপাদন প্রায় আড়াই লাখ টন বাড়বে। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭ হাজার ১২৭ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে।

একসময় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীগুলো ছিল প্রাণবন্ত। তবে ১৯৭০-এর দশকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর শুষ্ক মৌসুমে পানি সরিয়ে নেওয়ায় বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে মরুকরণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী প্রায় মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে।

নদীগুলোতে পলি জমে নাব্যতা কমার পাশাপাশি লবণাক্ততার সমস্যাও তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে তা ধারণ ও নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন জনপদ বন্যা ও জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে।

এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, আবহাওয়া, জলবায়ু, পরিবেশ, অর্থনীতি, সেচব্যবস্থা, কৃষি, মাছ উৎপাদন ও নৌ-চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো জীববৈচিত্র্য। এর প্রভাব পড়েছে কয়েক কোটি মানুষের জীবনে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী-খালগুলোতে লবণাক্ততার মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় এলাকার মানুষ সুপেয় পানির সংকটে পড়েন। কৃষকেরা সেচের পানি না পেয়ে যন্ত্রের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে জমিতে ব্যবহার করছেন। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে এবং আর্সেনিকের ঝুঁকিও বাড়ছে।

শুষ্ক মৌসুমে মৃতপ্রায় নদীগুলোতে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ায় অনেক জেলে বেকার হয়ে পড়েছেন। পানির অভাবে নদীকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর।

এর মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গার (পদ্মা) পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদও আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সংকট মোকাবিলায় সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে সরকারের প্রথম মেগা প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজকে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছে। পানি ভবনে পদ্মা ব্যারাজ-সংশ্লিষ্ট একটি আলাদা অফিসও স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন তাঁরা। এরপর গত ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করা হয়। ব্যারাজ নির্মাণের কাজের অগ্রগতি আরও গতিশীল হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী এর দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করবেন।

প্রকল্পটির সম্ভাব্য সুফল তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে দেশের চার বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষি ও অর্থনীতিতে এর ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, পানিতে লবণাক্ততা বাড়তে থাকলে আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর পর ওই অঞ্চলে মানুষের বসবাস কঠিন হয়ে পড়বে। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মাছসহ অন্যান্য প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ স্বর্ণযুগে প্রবেশ করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

গত ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। এর সম্পূর্ণ অর্থায়ন করা হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।

তবে প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় আরও বাড়বে। চলতি বছরের জুলাইয়ে কাজ শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর করাই এ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। মূলত বর্ষা মৌসুমের পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহের জন্য ব্যারাজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। এর আওতায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি থাকবে ৭৮টি পানিনিষ্কাশন কপাট বা স্পিলওয়ে, ১৮টি তলদেশ নির্গমন পথ বা আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ।

ব্যারাজে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার। প্রতিবছর বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে গত দুই দশকে পদ্মা নদীবিধৌত বিভিন্ন এলাকায় আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবার সরাসরি নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত ড্রেজিং, তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে নদীভাঙনের হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মাশফিকুস সালেহীন বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার মাত্রা বেশি হওয়ায় সুপেয় পানির সংকট রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে পানির সংকটের পাশাপাশি সুন্দরবন ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততা আরও বাড়বে। পলি জমার কারণে জলাবদ্ধতাও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলগুলোতে মিঠাপানির সর্বোচ্চ সরবরাহ ও প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে পদ্মা ব্যারাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মাশফিকুস সালেহীন আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত হবে এবং পানি ও মাটির লবণাক্ততা কমবে। নিঃসন্দেহে এটি ওই অঞ্চলের জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করবে। তবে নির্মাণকাজের সময় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পলি জমা, নদীভাঙন, উজানে নদী ক্ষয় এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সরকার এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্মা ব্যারাজের গুরুত্ব তুলে ধরে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারাজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, পদ্মা ব্যারাজ জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে নৌ-চলাচল, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষি, অর্থনীতি ও প্রাণিসম্পদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ ক্ষতির মুখে পড়ছে। এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে পদ্মা ব্যারাজের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ প্রথম নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালের দিকে আবারও এ উদ্যোগ নেন। তবে তখন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে তাঁরা বিষয়টি সামনে এনে পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করেছেন।

সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। তাঁর আশা, অদূর ভবিষ্যতে প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে। এর ফলে জাতি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সার্বিকভাবে উপকৃত হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ২৮ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমিতে সেচসুবিধা নিশ্চিত হবে।

এ ছাড়া চলমান গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জি-কে) সেচ প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্পে সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সেচসুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা; ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ; রাজশাহী বিভাগের পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতীসহ প্রধান নদীগুলোর প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধার প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলে লবণাক্ততা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সুন্দরবনের জন্য মিঠাপানির সরবরাহ নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, যশোরের ভবদহসহ বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনঃসঞ্চয়ন এবং আর্সেনিক দূষণ কমানোও প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত