লামার ভূমি রেজিস্ট্রেশন জেলা সদরে, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

বান্দরবান প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-11-02T13:43:25+06:00
2026-11-02T13:43:25+06:00
সোমবার ● ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
লামার ভূমি রেজিস্ট্রেশন জেলা সদরে, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
বান্দরবান প্রতিনিধি
⏲ ১:৪৩ পিএম | ২ নভেম্বর, ২০২৬ | সোমবার
সংগৃহীত ছবি
বান্দরবানের লামা উপজেলার সব ধরনের ভূমি রেজিস্ট্রেশনের কাজ উপজেলা কার্যালয় থেকে সরিয়ে জেলা সদরে নেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও অসন্তোষ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে বাতিল করে আগের মতো লামাতেই রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

জানা গেছে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসন বিধিমালা ১৯০০’-এর ২০ বিধি অনুযায়ী গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজমিন সুলতানা এ নির্দেশ জারি করেন। নতুন আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লামা উপজেলার বায়না, সাব-কবলা, দানপত্র ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নিসহ সব ধরনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্পন্ন হবে।

এতদিন এসব কাজ লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিচালনা করে আসছিলেন। উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালে লামায় মোট ১ হাজার ২৬৩টি রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে জেলা সদরে গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের কাজ করতে হবে। এতে তাঁদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

লামার রূপসীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, লামা থেকে জেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। ছোটখাটো কাজের জন্য এত দূর যাওয়া খুবই কষ্টকর। এতে সময় ও টাকা খরচের পাশাপাশি ভোগান্তিও বাড়বে।

সরই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনা করে প্রশাসনের মানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আগের মতো লামা ইউএনও কার্যালয় থেকেই রেজিস্ট্রেশনের কাজ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার বলেন, রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টি জেলা প্রশাসকের অধীন। তাঁরা সরকারি আদেশ অনুযায়ী কাজ করেন। তবে লামা থেকে জেলা সদরের দূরত্ব বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম হাসান বলেন, রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে বা কার কাছ থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে, তা জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক নাজমিন সুলতানার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জ/দি


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত