এআই ও মানবাধিকার নিয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-10-07T13:50:39+06:00
2026-10-07T13:50:39+06:00
বুধবার ● ৭ অক্টোবর ২০২৬,
২২ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
এআই ও মানবাধিকার নিয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ১:৫০ পিএম | ৭ অক্টোবর, ২০২৬ | বুধবার
সংগৃহীত ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রথমবারের মতো ‘মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব’ শীর্ষক একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনএইচআরসি) ৬৩তম অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

বাংলাদেশের উদ্যোগ ও নেতৃত্বে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, মিসর, গ্রিস, গায়ানা, কুয়েত ও নেপালকে নিয়ে গঠিত কোর গ্রুপের পক্ষ থেকে মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে প্রস্তাবটির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

মানবাধিকার পরিষদে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়াকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবাধিকারের দ্রুত বিকাশমান সম্পর্ক নিয়ে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ এই পরিষদের আলোচনায় একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রস্তাবটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় এর ক্রমবিকাশমান প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ, ভবিষ্যৎমুখী ও মানবাধিকারকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন প্রস্তাবটির পেনহোল্ডার হিসেবে ২০২৬ সালের আগস্টে কোর গ্রুপের পক্ষে প্রথমবারের মতো এটি মানবাধিকার পরিষদের প্রাক-অধিবেশন সভায় উপস্থাপন করে।

এরপর বাংলাদেশ কোর গ্রুপের অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিনিধিদল ও অংশীজনের সঙ্গে উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গঠনমূলক পরামর্শ এবং আলোচনা পরিচালনা করে।

মানবাধিকার পরিষদে প্রস্তাবটির খসড়া উপস্থাপনের সময় বাংলাদেশ উল্লেখ করে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমাজ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত রূপান্তরে শক্তিশালী প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। তাই এ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন ও ব্যবহারকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক মর্যাদা ও মানুষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় বিবেচনায় রাখতে হবে।

প্রস্তাবটিতে উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থবহ অংশগ্রহণের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উদীয়মান প্রযুক্তির সুফলে আরও বিস্তৃত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, কারিগরি সহায়তা, জ্ঞান-বিজ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব এতে তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়াকে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং উদীয়মান বৈশ্বিক ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছে জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন।

জ/উ



Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত