ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

জবাবদিহি ডেস্ক

আইন-আদালত

2026-09-23T20:47:14+06:00
2026-09-23T20:47:14+06:00
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইপেপার  বাংলা English
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
আইন-আদালত
ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অপর আসামিরা হলেন-ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান (ভারতীয় নাগরিক) এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক।

বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালতে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গুলশান থানা পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার আদালত প্রতিবেদন গ্রহণের পর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছরের ৩ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুটি মামলা করেন।

পরে আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গুলশান থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে একটি মামলায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মশিউর রহমান এবং অপর মামলায় একই থানার এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

মামলার অভিযোগে বাদী শিহাব মাহমুদ বশির উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি দেশীয় ও আমদানি করা সবজি এবং ফলমূল সরবরাহ শুরু করেন। শুরুতে নিয়মিতভাবে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বাদীর ১ লাখ টাকার পণ্য কেনার আদেশের বিপরীতে ব্যাংকে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকার মতো নগণ্য অর্থ জমা দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভুয়া ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ব্যবহার এবং একই দিনে একাধিক স্থানে ভুয়া ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরি করে পণ্য ফেরত দেখানোর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রাখা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। দুই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বাদী।

জ/উ






Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]