শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের প্রতিবেদন দাখিল ১০ ডিসেম্বর

জবাবদিহি ডেস্ক

আইন-আদালত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রতিবেদন না আসায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির নতুন এ দিন ধার্য করেন।

2026-09-20T17:38:31+06:00
2026-09-20T17:39:22+06:00
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইপেপার  বাংলা English
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
আইন-আদালত
সেতুর টোল দুর্নীতি মামলা:
শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের প্রতিবেদন দাখিল ১০ ডিসেম্বর
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম  আপডেট: ২০.০৯.২০২৬ ৫:৩৯ পিএম
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রতিবেদন না আসায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির নতুন এ দিন ধার্য করেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন,  সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী (অর্থ ও পরিকল্পনা) এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল, সাবেক উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল ও ইবনে আলম হাসান, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আফতাব হোসেন খান ও আব্দুস সালাম, সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সংস্থাটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১–এ দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 

মামলায় বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়কারী হিসেবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেডকে নিয়োগ দিতে আগের দরপত্র ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল’ করে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে বাদ রেখে কেবল সিএনএস লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য টোল আদায়ের চুক্তি করা হয়। এতে সার্ভিস চার্জের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক না করে হার বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এই হার ছিল আদায় করা টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ (ভ্যাট ও আয়কর ব্যতীত)। এ চুক্তির আওতায় সিএনএস লিমিটেড মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে।

অন্যদিকে ২০১০-২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল আদায়ের জন্য এমবিইএল-এটিটি মাত্র ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় কাজ করে। পরবর্তী সময়ে ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় (ভ্যাট ও আয়করসহ) কার্যাদেশ দেওয়া হয়, যা পাঁচ বছরে রূপান্তর করলে দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সিএনএস লিমিটেড কথিত ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন ও অবকাঠামো ব্যয়’ বাবদ আরও ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দাবি করে। তুলনামূলক বিশ্লেষণে দুদক মনে করছে, সিএনএস লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেয়ার ফলে সরকারের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা।

সিএনএস লিমিটেডের পরিচালক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে এ অনিয়ম করেছেন।


জ/রা





  বিষয়:   সেতুর টোল আদায়  প্রতিবেদন  শেখ হাসিনা 



Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]