হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এসব সামরিক সম্পদ সেখানে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি। আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরকারি ও সামরিক সূত্রের বরাতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, সামরিক সম্পদ মোতায়েনের জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রস্তুত করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর চলতি মাসেই পার্লামেন্টে একটি সম্মতি প্রস্তাব জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
‘হাবিবি, কাম টু ইরান’: হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে খোঁচা তেহরানের‘হাবিবি, কাম টু ইরান’: হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে খোঁচা তেহরানের হরমুজ প্রণালিতে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, তা নিয়ে কয়েকটি বিকল্প বিবেচনা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। এর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি লজিস্টিক সহায়তা জাহাজ অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণে সক্ষম একটি ইউনিট পাঠানো। সম্ভাব্য এই অবদানের পরিসর ও ধরন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে সিউল।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্লু হাউস বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতায় বাস্তবিকভাবে কীভাবে অবদান রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু সামরিক সম্পদ মোতায়েনের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে- এমন খবর ‘তথ্যের সঙ্গে ভিন্ন’ বলে জানিয়েছে তারা।
খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহুখুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু এর আগে আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করতে দক্ষিণ কোরিয়া রাজি না হওয়ায় আংশিকভাবে দেশ দুটির যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জ/রা