মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে’ মিল কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে’ মিল কর্মসূচির উদ্বোধন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গেও একই বিষয় তুলে ধরেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও (এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ) অংশ নিতে পারে, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে পড়াশোনা শেষ করে একজন শিক্ষার্থী যেন একাধিক পেশায় নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্যেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার সময় প্রাথমিক পর্যায়ে অবৈতনিক শিক্ষা চালু হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি কার্যক্রমও চালু রয়েছে, যা শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা কীভাবে আরও কার্যকরভাবে পূরণ করা যায়, সে বিষয়ে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান মোল্লাসহ অন্যান্য বক্তারা।
বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে ‘মিড-ডে’ মিল কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ