বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ব্যক্তিগতভাবে ভেঙে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। শোক সামলে উঠতে তিনি পেশাদার ফুটবল থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতিতে যেতে পারেন—আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামাধ্যমে এমন খবরের মধ্যেই ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে ফিরে চমক দেন মেসি। তবে তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও লিগস কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মায়ামিকে।
নিজেদের মাঠে ক্লাব লিওনের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্টের পরের ধাপে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের একপর্যায়ে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হার মানে হেরনরা।
ম্যাচডে-৩ এ মায়ামির জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। তবে শুধু জয় পেলেই হতো না, পরের ধাপে যেতে এমএলএসের অন্য ম্যাচগুলোর ফলও তাদের পক্ষে আসতে হতো। এর আগে অ্যাথলেটিকো সান লুইসকে ৪-২ গোলে হারিয়ে তিন পয়েন্ট পেলেও মন্টেরের কাছে ২-১ গোলে হেরে তাদের হিসাব কঠিন হয়ে যায়।
লিওনের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ৪২ মিনিটে ১৯ বছর বয়সী ড্যানিয়েল পিন্টারের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে ড্যানিয়েল আরসিলা গোল করে লিওনকে সমতায় ফেরান। এর মাত্র তিন মিনিট পর ইয়ানিক ব্রাইটের গোলে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি।
তবে ম্যাচে ফিরে আসে লিওন। ৬১ মিনিটে হুয়ান ডমিনগেজের গোলে ২-২ সমতা ফেরে। এরপর জয়ের জন্য দুই দলই মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে লিওনকে প্রথমবারের মতো এগিয়ে দেন আরসিলা। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকান দলটি।
ম্যাচটির বড় আকর্ষণ ছিল মেসির প্রত্যাবর্তন। শুরুতে তাকে একাদশে রাখা হয়নি; বদলি হিসেবে ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পিন্টারের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি।
মেসি মাঠে নামতেই নু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান। তার প্রত্যাবর্তনে মায়ামি সমর্থকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত দলের পরাজয় ঠেকাতে পারেননি মেসি।
জ/উ