হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাট রেনশর সেঞ্চুরি এবং নাথান এলিসের পাঁচ উইকেটের নৈপুণ্যে স্বাগতিকদের ৫৯ রানে হারিয়েছে তারা।
টস জিতে আগে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা অবশ্য প্রত্যাশামতো হয়নি। ট্রাভিস হেড দ্রুত ফিরে গেলেও অধিনায়ক মিচেল মার্শ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলের রানের গতি বাড়ান। ২৮ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। পরে কুপার কনোলির ৫১ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যায়।
এরপর ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন রেনশ। প্রথমে অ্যালেক্স ক্যারির সঙ্গে ৭২ এবং পরে অলিভার পিকের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। ক্যারি করেন ২৭, আর পিকের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান।
৫৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন রেনশ। শেষ পর্যন্ত ৮৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটার। ৯৪ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ১০৯ রান করে থামেন তিনি। তার সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে নিউম্যান নিয়ামহুরি নেন পাঁচ উইকেট।
২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। বেন কারানকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পেসার জেভিয়ার বার্টলেট শুরু করেন উইকেট উৎসব। এরপর নাথান এলিস একই ওভারে ইনোসেন্ট কাইয়া ও ব্রায়ান বেনেটকে ফেরান।
দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়ের ইনিংস সামাল দেন সিকান্দার রাজা ও ক্রেইগ আরভিন। দুজনের ফিফটিতে স্বাগতিকদের স্কোর দেড়শ পেরিয়ে যায়। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৯৮ রানের জুটি ভাঙেন এলিস। ৫৯ রান করে বোল্ড হন আরভিন।
এরপর ৫৭ রান করা রাজাকে ফেরান স্পেন্সার জনসন। তার স্টাম্প ভেঙে যাওয়ার পর জিম্বাবুয়ের প্রতিরোধও কার্যত শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২৩৫ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক দল।
অস্ট্রেলিয়ার জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান এলিসের। ৯.১ ওভারে মাত্র ৩১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে রেনশর হাতে-সেঞ্চুরির পাশাপাশি বল হাতেও একটি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
জ/উ