জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর প্রশংসা করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক স্বার্থ দুই দেশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত মতবিনিময় এবং পারস্পরিক সংসদীয় সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের পার্লামেন্টকে আধুনিক পার্লামেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে তিনি ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
দীনেশ ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়াকে সংসদীয় যোগাযোগ বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরিতে হাইকমিশনার সহায়ক ভূমিকা রাখবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডেপুটি স্পিকার।
কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হলে তা দুই দেশের জন্য অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
বৈঠকে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক আস্থা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ