মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ালো লিওনেল মেসি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার কুইন সালিভানকে ঘিরে। ২০ আগস্ট ইন্টার মিয়ামি ও ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের ম্যাচে কুইন সালিভানের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করেন মেসি। এরপর দুজনকে মুখোমুখি অবস্থায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতেও দেখা যায়। যে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমত ভাইরাল।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়। তবে ম্যাচের ফলের চেয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে মাঠের উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং মেসির ওই শারীরিক সংস্পর্শ।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের শেষদিকে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, খেলার একপর্যায়ে ফিলাডেলফিয়ার কুইন সুলিভান মেসিকে স্পর্শ করলে মিয়ামি অধিনায়ক মেসি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে চড় মারেন। জবাবে সুলিভানও মেসির দিকে তেড়ে যান এবং দুজন মাথা ঠুকাঠুকি করে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে রেফারি দ্রুত এসে দুজনকে আলাদা করে পরিস্থিতি সামাল দেন। তবে ঠিক কী কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত, তা স্পষ্ট জানা যায়নি।
ঘটনার জল আরও গড়ায় ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে। সুলিভানের ভাই কাভান সুলিভান ও মিয়ামির ইয়ানিক ব্রাইট হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে রেফারি দুজনকেই লাল কার্ড দেখান। আর বাদানুবাদের জেরে কুইন সুলিভানকে দেখতে হয় হলুদ কার্ড।
কুইন ও কেভান-দুই ভাইয়েরই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পরিচয় রয়েছে। ফলে ঘটনাটি বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে।
ম্যাচের পর মেজর লিগ সকারের ডিসিপ্লিনারি কমিটি মেসির ওই অফ-দ্য-বল ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে। মাঠে শাস্তি না পেলেও ম্যাচ-পরবর্তী শৃঙ্খলাবিষয়ক পর্যালোচনায় ঘটনাটি গুরুত্ব পায়।
একদিকে মেসির মতো বিশ্বসেরা তারকার সঙ্গে বিবাদ, অন্যদিকে একই ম্যাচে ছোট ভাই কেভানের লাল কার্ড; সালিভান পরিবারের জন্য ম্যাচটি হয়ে উঠেছে বেশ আলোচিত। ২-২ গোলের ড্রয়ের আড়ালে তাই ম্যাচের শেষ মুহূর্তের এই উত্তপ্ত ঘটনাই এখন এমএলএস-এর অন্যতম আলোচিত বিষয়।
জ/বা