জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-08-20T01:54:33+06:00
2026-08-20T01:54:33+06:00
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
বাংলা English
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
Advertisement
জাতীয়
প্রতিশ্রুতি পূরণে কতটা এগোল সরকার?
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৪ এএম 
সংগৃহীত ছবি
নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিন পূর্ণ হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম ১৮০ দিনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেয়া হয় বিশেষ কর্মপরিকল্পনা। স্বাভাবিকভাবেই সেই অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো কতখানি বাস্তবায়ন হয়েছে, ছয়মাস পরে সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।

সরকারের তথ্য বলছে, ১৮০ দিনের কাজের অংশ হিসেবে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী, ক্রীড়াবিদ, প্রবাসী, প্রবীণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বিশেষ কার্ড ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ, ১৫ টাকা কেজি দরে খাদ্যসহায়তা, নারী উদ্যোক্তা ও তরুণদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ এবং স্টার্টআপ তহবিল গঠন করা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া খাতে স্মার্ট ক্লাসরুম, কর্মমুখী নতুন পাঠ্যক্রম, বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ছয় মাসে দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিংবা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়েই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রক্রিয়া দেখা গেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিএনপি সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটসহ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বেশকিছু অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রয়েছে। খোদ সংসদ থেকে বিষয়টি এখন সর্বত্র আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্ষমতা গ্রহণের পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু করেছেন উল্লেখ করে সরকারের মন্ত্রী এবং উপদেষ্টারা বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ঘটনা বাধা হয়ে দাঁড়ালেও সঙ্কট উত্তরণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের আয়োজনে মতবিনিময়ে তারা বলেন, জ্বালানি সংকট সমাধানেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

১৮০ দিন পূর্তিতে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে গত ছয় মাসে বর্তমান নির্বাচিত সরকার জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ছয় মাস পূর্তিতে মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, গুম-খুন, অরাজকতা আর মেগা দুর্নীতির এক ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠনের কাজ করছে। অবাধ ও ইনক্লুসিভ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বরেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাসে জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো সুস্পষ্ট সাফল্য দেখা যায়নি। দলটির অভিযোগ, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংকিং খাতের সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া সরকারের অন্যতম ব্যর্থতা। একই সঙ্গে গ্যাস, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকট কাটাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন বৃদ্ধি, সীমান্ত হত্যা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইন ঠেকাতে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা।

এদিকে নবীন-প্রবীণের মিশেলে করা মন্ত্রিসভা এবং চুক্তিভিত্তিক দক্ষ আমলা নিয়োগে জনগণের কাছে কতটা সুফল পৌঁছেছে?

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড

ইশতেহারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড। তথ্য বলছে ১৮০ দিন বা ছয় মাসে প্রায় ৭০ হাজার ৮৬১টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবার এই কার্ডের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কৃষক কার্ডের ক্ষেত্রেও আট বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় পাইলটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের কথা জানানো হয়। অর্থাৎ এই দুই প্রতিশ্রুতিতে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলেও দেশব্যাপী পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এখনো বাকি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

খাল খনন কাজ

ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্য রয়েছে। এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে ১৬ মার্চ থেকে। জুন পর্যন্ত পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখননের পরিকল্পনা ছিল। এর বাইরে কাবিখা, কাবিটা ও টিআরের মাধ্যমে আরও ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ হিসাবে খাল খননের প্রতিশ্রুতিতে কাজ দৃশ্যমান হলেও পাঁচ বছরের ২০ হাজার কিলোমিটারের লক্ষ্যের তুলনায় এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

বৃক্ষরোপণ প্রতিশ্রুতি

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে বিএনপির ইশতেহারে। সরকারের হিসাবে, এরই মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে এবং বর্ষা মৌসুমে এসব চারা রোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, তবে মূল পাঁচ বছরের লক্ষ্যের বড় অংশ এখনো সামনে।

শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ

ইশতেহারে কর্মমুখী শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিগত সুবিধা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব দেওয়া, ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ৪১৮টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।

ক্রীড়া ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে কিছু বাস্তবায়ন

ইশতেহারে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালু হয়েছে এবং প্রথম ধাপে ১২৯ জন আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান অ্যাথলেট বা খেলোয়াড় খুঁজে বের করার একটি দেশব্যাপী বিশেষ ক্রীড়া কর্মসূচি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং দক্ষ ক্রীড়াবিদ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে এই অনন্য উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে।

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী

ধর্মীয় ক্ষেত্রে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৯ হাজার ১০২ জনের ব্যাংক হিসাবে সম্মানী পাঠানো হয়েছে।

ডিজিটাল অর্থনীতি ও পেপালের উদ্যোগ

ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারে পেপালের কার্যক্রম বাংলাদেশে শুরু করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে একটি কমিটি গঠনের কথা সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে এটি এখনো পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর পর্যায়ে পৌঁছেছে কি না, সেটি আলাদাভাবে মূল্যায়নের বিষয়।

দুর্নীতি দমন ও অর্থ ফেরানোর উদ্যোগ

সরকারের প্রথম ১০০ দিনের হিসাবে দুর্নীতি দমনের অংশ হিসেবে এস আলম গ্রুপের ৪ হাজার ২৬৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দ এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১০টি দেশের মধ্যে তিনটির সঙ্গে চুক্তি সইয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনি ইশতেহারে দুর্নীতি দমন, অর্থপাচার বন্ধ ও অর্থ ফেরত আনার যে বড় অঙ্গীকার রয়েছে, তার পূর্ণ বাস্তবায়ন দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।

কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে বড় কাজ বাকি

বিএনপির ইশতেহারে যুবকদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক জনবল নিয়োগের মতো বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। বিশেষ করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার বড় ধরনের সংস্কার এবং সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণের মতো প্রতিশ্রুতিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে বড় স্বস্তি

গত ছয় মাসে অর্থনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী ইতিবাচক দিকগুলোর একটি বৈদেশিক খাত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রায় ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এর প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। রিজার্ভের এই উন্নতি অবশ্য অভ্যন্তরীণ সব সংকট কেটে যাওয়ার অর্থ নয়। তবে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিত্তি তৈরি করেছে।

নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এনপিবি নিউজকে বলেন, ১৮০ দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ করেছি। অনেক কাজ পুরোপুরি ভাবে করতে পেরেছি, আবার আনেক কাজ করতে পারিনি। প্রতি মাসে মন্ত্রণালয়ের কাজের ফিরিস্তি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেরণ করা হয়েছে। এসব রিপোর্ট মূল্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতা গ্রহণের দ্বিতীয় দিন থেকেই তিনি তার কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছেন।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের আক্তারুজ্জামান বাচ্চু এনপিবি নিউজকে বলেন, বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে নির্বাচনী ইশতাহার ও ৩১ দফায় দেয়া অঙ্গীকারের অধিকাংশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে। ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী কোথাও ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ, আবার কোথাও ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়েছে। পরবর্তী ছয় মাসে কর্মসূচিগুলো আরো জোরালোভাবে এগিয়ে যাবে এবং সফলভাবে। এই সরকার জনগণের সরকার, তাই জণগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করাই হচ্ছে মূল লক্ষ্য।





Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয় - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]