বড় ক্লাবে যাওয়ার জন্য গত বছর থেকেই মরিয়া ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। অবশেষে পূরণ হয়েছে সেই স্বপ্ন। অ্যাস্টন ভিলা ছেড়ে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক।
চেলসির জার্সিতে মার্তিনেজের অভিষেক অবশ্য হয়েছে অম্লমধুর। ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচে তিন গোল হজম করলেও চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ৪-৩ ব্যবধানে জিতেছে চেলসি।
৭৫ লাখ পাউন্ডে (প্রায় ১২৫ কোটি টাকা) অ্যাস্টন ভিলা ছেড়ে চেলসিতে যোগ দেন মার্তিনেজ। দলবদলের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গোলবারের নিচে দাঁড়াতে হয় তাকে। লন্ডনের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচ শুরুর আগে চেলসি সমর্থকেরা তাকে স্বাগত জানান।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে চেলসি। চতুর্থ মিনিটে রোমিও লাভিয়ার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো নেতো। এরপর ৩২ মিনিটে সাবেক ব্রাইটন ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রো গোল করে চেলসিকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এরপর অবশ্য ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৩৫ মিনিটে মালিক ইয়ালকুয়ে গোল করে ব্রাইটনকে ম্যাচে ফেরান। দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েগো গোমেজের একাধিক প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন মার্তিনেজ।
তবে ৬৩ মিনিটে প্যাসকাল গ্রসের শট জোয়াও পেদ্রোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে মার্তিনেজকে পরাস্ত করে। ৭৪ মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে চেলসির চতুর্থ গোল করেন কোল পালমার। যোগ করা সময়ে গ্রস আবার গোল করলেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।
তিন গোল হজম করলেও মার্তিনেজের পারফরম্যান্স ছিল আশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে চাপের সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে চেলসিকে জয় পেতে সহায়তা করেন তিনি। তবে রক্ষণভাগের দুর্বলতা কোচ জাবি আলোনসোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকল।
প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও ফুলহামকে হারিয়েছিল চেলসি। সেই ম্যাচেও অবশ্য দুই গোল হজম করেছিল তারা।