লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমাচ্ছে সরকার

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

সরকারি চাকরির নিয়োগবিধিতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিধিমালা এরই মধ্যে অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটি। এখন সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমবে।

2026-09-09T12:13:58+06:00
2026-09-09T12:13:58+06:00
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইপেপার  বাংলা English
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
জাতীয়
সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমাচ্ছে সরকার
বাড়ছে ভাইভার নম্বর
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম 
লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমাচ্ছে সরকার
সরকারি চাকরির নিয়োগবিধিতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিধিমালা এরই মধ্যে অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটি। এখন সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। 

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সব চাকরিতে এক মানবণ্টনে পরীক্ষা হবে। এর মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় ‘প্রক্সি’ ঠেকানো যাবে। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সরকারের পছন্দের প্রার্থীদের সুবিধা দিতে এমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে নিয়োগ দুর্নীতির পথ খুলবে।

প্রস্তাবিত পদ্ধতির প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ জানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। বিষয়টি গতকাল সংসদেও উঠেছে। তবে স্পিকার পয়েন্ট অব অর্ডার গ্রহণ করেননি। আলোচনা চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। 

সরকারি চাকরিতে প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা নেয় সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১০-১৩ গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। এর বাইরে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তরসহ সরকারি সংস্থাগুলোর ১০ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ হয় সরাসরি। নিজেরা পরীক্ষা নিয়ে জনবল নিয়োগ দেয়। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নিম্ন গ্রেডের চাকরিতে একজনের লিখিত পরীক্ষা আরেকজনকে দেওয়ানোর মতো ঘটনা ধরা পড়েছে। এই যুক্তিতে সচিব কমিটি ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। 

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসারের মতো শৃঙ্খলা বাহিনী বাদে সরকারি বাকি প্রতিষ্ঠানের ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিন্ন নম্বর বণ্টন বিধিমালা করতে যাচ্ছে সরকার। গত রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে ‘প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাগুলোর ১১-২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মানবণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়।

প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রণালয়-বিভাগ, অধিদপ্তর-পরিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার নিয়োগ পরীক্ষার নম্বর বণ্টন একেক রকম। 

সংযুক্ত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তরের কমন পদ নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯-এ ১১টি পদের জন্য নিয়োগের যোগ্যতা ও পরীক্ষার ধরন নির্ধারণ রয়েছে। এসব পদের ক্ষেত্রে লিখিত, মৌখিক এবং পদভেদে সাঁটলিপি ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এগুলো ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদ। 

বিধিমালার তপশিল-২ অনুযায়ী এই ১১টি পদে লিখিত পরীক্ষায় মোট ৭০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৩০ নম্বর রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ২০, ইংরেজি ২০, গণিত ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান ১৫ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৫০ শতাংশ এবং সময় ৯০ মিনিট। সব মিলিয়ে পরীক্ষা ১০০ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ। 

অনুমোদিত খসড়া বিধিমালা অনুযায়ী, ১১ থেকে ১২ গ্রেডের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরে। ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে লিখিত পরীক্ষা হবে ৬০ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ৪০ নম্বরে। ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের লিখিত পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরের।

বর্তমানে ১১ থেকে ১৬তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ। কমিটির অনুমোদিত খসড়ায় ১১ থেকে ১২ গ্রেডের ক্ষেত্রে তা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ এবং ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মৌখিক পরীক্ষায় মুখে চিনে নম্বর দেওয়ার আশঙ্কা ও নজির রয়েছে। যেমন– ১১ থেকে ১২ গ্রেডের নিয়োগে একজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ১০০ এর মধ্যে ৬০ পেল। আরেকজন ৪০ পেল। কিন্তু ‘বিশেষ কারণে’ যদি ৪০ পাওয়া প্রার্থীকে নিয়োগ নিতে চায় কর্তৃপক্ষ, সে ক্ষেত্রে তাঁকে মৌখিকে ৪০ নম্বর দিয়ে এগিয়ে দেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষায় ৬০ পাওয়া প্রার্থীকে মৌখিকে ১৯ দিয়ে পিছিয়ে দেওয়া হবে। তাই এই নম্বর বণ্টন গ্রহণযোগ্য নয়। 

অধিদপ্তরে সাঁটলিপিকার ও সাঁটমুদ্রাক্ষরিকসহ সংশ্লিষ্ট পদে সাঁটলিপি ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর পরীক্ষার জন্য আলাদা নম্বর ও গতি নির্ধারণ করা হয়েছে। সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদের ক্ষেত্রে ইংরেজি সাঁটলিপিতে মিনিটে ৮০ শব্দ এবং বাংলায় ৫০ শব্দ লেখার গতি নির্ধারিত। উভয় পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০ করে এবং ন্যূনতম পাস নম্বর ৮০ শতাংশ।

সচিবালয় (ক্যাডারবহির্ভূত গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নিয়োগ হয়। বিধিমালার তপশিল অনুযায়ী, ১০ম গ্রেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা প্রটোকল অফিসার পদে সরাসরি নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হয় ২০০ নম্বরে। এর মধ্যে বাংলায় ৭৫, ইংরেজিতে ৭৫, গণিতে ২৫ এবং সাধারণ জ্ঞানে ২৫ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৫০ শতাংশ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ২৫ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। 

অন্যদিকে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী, অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ইলেকট্রিশিয়ান ও প্লেইন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা ১০০ নম্বরের। বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০, গণিতে ২০ এবং সাধারণ জ্ঞানে ২০ নম্বর রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ। এর সঙ্গে ১০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকায় মোট নম্বর ১১০। এগুলো ১০ থেকে ১৬ গ্রেডের পদ।

সচিব কমিটির অনুমোদিত খসড়া বিধিমালা অনুযায়ী, ১১ থেকে ১২ গ্রেডের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরের। ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে লিখিত পরীক্ষা হবে ৬০ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ৪০ নম্বরে। 

মন্ত্রণালয়ে ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের অফিস সহায়ক ও ডুপ্লিকেটিং মেশিন অপারেটর পদের সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫ ও গণিত ১০ নম্বর। এর সঙ্গে ১০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা রয়েছে। সচিব কমিটির অনুমোদিত খসড়া বিধিমালা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরের।

অন্যান্য অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তর তাদের নিজস্ব নিয়োগবিধি অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষা নেয়। কিছু অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তরে নিজস্ব নিয়োগবিধি থাকলেও এখনও নম্বর বণ্টন হয়নি। বিভাগীয় নিয়োগ বা পদোন্নতি কমিটি (ডিপিসি) পরীক্ষার আগে নম্বর নির্ধারণ করে। ফলে এসব দপ্তর নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। 

জানতে চাইলে সাবেক সচিব আব্দুল আওয়াল মজুমদার সমকালকে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার জন্য এমন বিশেষ মানবণ্টন বিধিমালা করা ভালো হবে না। কারণ, এতে সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা ও অবিশ্বাস তৈরি হবে এবং বিতর্ক বাড়বে। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ বাড়বে।

নতুন বিধিমালায় কারিগরি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও পৃথক বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তাঁকে ব্যবহারিক পরীক্ষায়ও পাস করতে হবে। এতে উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে নিয়োগ হবে না। 

মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি এবং লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ভালো মনে হয়েছে বলে সরকার বাস্তবায়ন করছে। নিয়োগের মানোন্নয়নের জন্য মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর রাখার ফলে লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়া প্রার্থীকে পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়– সাংবাদিকের এমন যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে উপদেষ্টা বলেন, ‘ভাইভা যেহেতু সাবজেক্টিভ, তাই সেখানে কারসাজি বা পছন্দের কাউকে সুবিধা দেওয়ার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি। এ বিষয়ে দ্বিমত করছি না।’ 

তাহলে কেন ভাইভায় নম্বর বাড়ানো হচ্ছে প্রশ্নে জাহেদ উর রহমান বলেন, চাকরির জন্য শুধু বইয়ের জ্ঞান যথেষ্ট নয়। একজন প্রার্থীর অন্যান্য যোগ্যতাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। কোনো নিয়োগে সুনির্দিষ্ট অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গণমাধ্যমকে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। 

গতকাল সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াতদলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার  নম্বর বৃদ্ধি এবং লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানো মেধার পরিবর্তে কোটার দিকে ধাবিত হওয়া। 

পছন্দের প্রার্থীকে ভাইভায় নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ায় দুর্নীতি হবে আশঙ্কা করে এই এমপি বলেন, প্রক্সি পরীক্ষা বা জালিয়াতি প্রতিরোধের যুক্তি দেখালেও এতে প্রশাসনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের রাস্তা সুগম হবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রুলিং দিয়ে বলেন, সংসদে চলমান নয়, এমন বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডার হয় না। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ভাইভার নম্বর বৃদ্ধিকে ‘নব্য কোটা’ আখ্যা দিয়ে মঙ্গলবার রাতে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম এতে নেতৃত্ব দেন। ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, দলের লোকে চাকরি পায়’, ‘নব্য কোটার নাম কী, ভাইভা ছাড়া আর কী?’ ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, চাকরি হয় পয়সায়’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। 


জ/রা




  বিষয়:   পরীক্ষা  বিসিএস  সরকারি চাকরি 



Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয় - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]