নিষিদ্ধ অ্যানাবলিক স্টেরয়েড সেবনের দায়ে ১৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যাটার আসিফ খান। গত বছর ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই ক্রিকেটারকে বড় শাস্তি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষায় আসিফ খানের রক্তে মেস্টেরোলোনের বিপাকীয় উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যায়। মেস্টেরোলোন এক ধরনের অ্যানাবলিক স্টেরয়েড, যা শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।
৩৬ বছর বয়সী আসিফ আইসিসি অ্যান্টি-ডোপিং কোডের ২.১ ধারা লঙ্ঘনের কথা স্বীকার করেছেন। বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) ও আইসিসির সঙ্গে কেস রেজোলিউশন চুক্তির মাধ্যমে তিনি নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছেন।
আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসিফের নিষেধাজ্ঞা গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে ৮ অক্টোবর থেকে তিনি কোনো দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারবেন এবং ক্লাব বা আইসিসির অন্য কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধাও ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন ৮ ডিসেম্বর থেকে।
এ ছাড়া গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসিফের ব্যক্তিগত সব ফলাফল বাতিল করেছে আইসিসি। এর আওতায় পদক, পয়েন্ট, প্রাইজমানি কিংবা অন্যান্য পুরস্কার হারানোর মতো বিষয়ও রয়েছে।
পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া আসিফ ২০১৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমান। ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে আমিরাতের হয়ে ৩৮টি ওয়ানডে ও ৫৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলেছেন আসিফ। দেশটির হয়ে ৩২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে অংশ নিয়েছেন তিনি।
জ/শা