জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-08-23T14:02:40+06:00
2026-08-23T14:02:40+06:00
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলা English
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
Advertisement
জাতীয়
পাহাড়ে শান্তি-সম্প্রীতিতে টিমওয়ার্ক জরুরি: সাচিং প্রু
জবাবদিহি ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:০২ পিএম 
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে ভিশন নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে একজন কর্মী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে চান তিনি। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

আজ রোববার সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাচিং প্রু জেরী বলেন, পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি, সংহতি ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, রাজনৈতিক দল, আঞ্চলিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজ শুরু করেছেন তিনি। বিভিন্ন বিষয় কীভাবে সমাধানের দিকে নেওয়া যায়, তা সময়ই বলে দেবে। তবে সবকিছু রাষ্ট্রের কাঠামো, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকাকে সামনে রেখে সম্মিলিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দায়িত্বকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি না-এমন প্রশ্নে সাচিং প্রু জেরী বলেন, বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিমওয়ার্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা কোনো ব্যক্তি, দল বা একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। পাহাড়ে বসবাসকারী সব জাতিসত্তা, জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, বিভিন্ন সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার প্রতি সম্মান রেখে সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সমানুভূতি, চিন্তাধারা ও উপলব্ধির জায়গা থেকে পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে পাহাড়ের জনগোষ্ঠীকেও দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থা রেখে কাজ করতে হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও বিশ্লেষণের প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেও পড়ে। তাই পাহাড়ের যেকোনো পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হলে পার্বত্য অঞ্চল সম্পর্কে দেশ-বিদেশে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘পিস’ বা শান্তি অত্যন্ত পবিত্র একটি শব্দ। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও উদ্যোগের মাধ্যমেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

এর আগে রোববার সকাল ৯টার পর সচিবালয়ে পৌঁছে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী। পরে বেলা ১১টায় মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

জ/উ






Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয় - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]