তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো সংকটে কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত না থাকায় গতকাল বুধবার (১৯ আগস্ট) টার্মিনালটির সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
এর ফলে বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ করছে শুধু সামিট গ্রুপের টার্মিনাল। নতুন এলএনজিবাহী কার্গো দেশে না আসা পর্যন্ত আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহের ক্ষেত্রে সামিটের ওপরই নির্ভর করতে হবে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, গতকার বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে মোট ২১৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে পাওয়া গেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। আর আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ৫৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস। আমদানি করা গ্যাসের পুরো পরিমাণই এসেছে সামিটের টার্মিনাল থেকে।
এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে নতুন কোনো এলএনজি কার্গো দেশে না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
এর আগে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। তখন জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে ১৬৫ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। পরে সামিট তাদের টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
এবার এলএনজি মজুতের ঘাটতির কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আবারও চাপের মুখে পড়েছে। নতুন এলএনজি কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহে সামিটের টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে।
জ/উ