সংযুক্ত আরব আমিরাতের কারাগারে বন্দি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দেশটির সরকার। প্রাথমিক নথিপত্র পর্যালোচনার পর দুবাই পুলিশ ঢাকার সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করে বন্দি প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি বিষয়ে আরও কিছু তথ্য-উপাত্ত চেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, দুবাই পুলিশের চাওয়া প্রায় সব নথিপত্র সংগ্রহের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইন্টারপোলের মাধ্যমে নথিগুলো দ্রুত দুবাই পুলিশের কাছে পাঠানো হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও থাইল্যান্ড ছাড়া অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র যথাযথভাবে উপস্থাপন এবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা গেলে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে না। এজন্য অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও জাতিসংঘ সনদের (ইউএন চার্টার) আওতায় কিছু বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র। সেই কাঠামোর আওতায় অতীতেও বাংলাদেশ ও আমিরাতের মধ্যে আসামি হস্তান্তরের নজির রয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া জটিল হবে না বলেই তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
জ/উ