জ্বালানি সংকটের কারণে দেশে এখন পর্যন্ত কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। তবে গ্যাস সংকটের প্রকৃত প্রভাব বুঝতে আরও অন্তত তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিএমইএ সভাপতি।
মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, নতুন সরকারের গত ছয় মাসে বন্ধ হওয়ার তুলনায় বেশি পোশাক কারখানা চালু হয়েছে। এ সময়ে ১৪ হাজার শ্রমিক কাজ হারালেও নতুন করে ২৪ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। ফলে পোশাক খাতে নিট ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
সাম্প্রতিক গ্যাস সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এর কারণে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি। তবে আগামী তিন মাস পর পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
তিনি বলেন, কোনো ধরনের অভিঘাত এলেই তাৎক্ষণিকভাবে পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যায় না। পাইপলাইনে থাকা অর্ডার শেষ করা, শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ এবং ব্যাংকিং-সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তিতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এ কারণে জ্বালানি সংকটে পোশাক খাতের প্রকৃত ক্ষতির চিত্র পেতে আরও সময় প্রয়োজন।
তবে এক সপ্তাহ আগের তুলনায় দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলেও জানান বিজিএমইএ সভাপতি।
জ/উ