বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশা জানান। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পিপল-টু-পিপল যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
মঈন খান বলেন, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। নগর উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও গতি আনা যেতে পারে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে পিপল-টু-পিপল যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। নগর উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায় থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘বটম-আপ গভর্ন্যান্স’-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় সরকার। কর্মসংস্থান, কৃষি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থবছর যুক্তরাজ্যের অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ