লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফ স্টাইল

2026-08-01T11:21:37+06:00
2026-08-01T11:21:37+06:00
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
বাংলা English
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
লাইফ স্টাইল
একসঙ্গে থেকেও কেন বাড়ছে দাম্পত্যের মানসিক দূরত্ব?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২১ এএম 
একই ছাদের নিচে বসবাস, সংসারের দায়িত্ব ভাগাভাগি-সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও অনেক দম্পতির মধ্যেই বাড়ছে মানসিক দূরত্ব। বাইরে থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে একাকীত্ব অনুভব করছেন অনেকে। মনোবিদরা এ অবস্থাকে ‘ইমোশনাল লোনলিনেস’ বা মানসিক একাকীত্ব হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যস্ত জীবনযাপন, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং পারস্পরিক যোগাযোগ কমে যাওয়াই এ সমস্যার প্রধান কারণ। সম্পর্কে মানসিক দূরত্ব তৈরির অন্যতম কারণ নিয়মিত কথোপকথনের অভাব। অফিস, সংসার, সন্তান ও আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে অনেক দম্পতির কথাবার্তা প্রয়োজনীয় বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে ধীরে ধীরে আবেগের বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া একজন সঙ্গী নিজের অনুভূতির কথা বলতে চাইলেও অন্যজন যদি তা গুরুত্ব দিয়ে না শোনেন, তাহলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি জমতে থাকে। এতে সম্পর্কের আন্তরিকতাও কমে যায়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসও দাম্পত্যে দূরত্ব বাড়াচ্ছে। একই ঘরে থাকলেও অনেক সময় দুজনই নিজ নিজ স্ক্রিনে ব্যস্ত থাকায় পারস্পরিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।

তাদের মতে, ঝগড়া না হওয়া সব সময় সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়। সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই নিজের কষ্ট, রাগ বা মতামত প্রকাশ করেন না। এতে সমস্যাগুলো অমীমাংসিত থেকে যায় এবং মানসিক দূরত্ব আরও বাড়তে পারে।


এ ছাড়া সঙ্গীকে ধন্যবাদ জানানো, প্রশংসা করা বা ভালোবাসা প্রকাশের মতো ছোট ছোট অভ্যাস কমে যাওয়াও সম্পর্কের উষ্ণতা হ্রাস করে। ব্যস্ততার কারণে একসঙ্গে সময় কাটানো, কোথাও ঘুরতে যাওয়া বা নতুন কোনো অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির সুযোগ কমে গেলে একাকীত্ব আরও গভীর হতে পারে।

মনোবিদদের পরামর্শ, প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট একে অপরের সঙ্গে মন খুলে কথা বলা, অভিযোগের বদলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা, সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং মোবাইলের বাইরে কিছু সময় একসঙ্গে কাটানো সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি ছোট ছোট বিষয়েও কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ এবং একসঙ্গে নতুন কোনো কাজ বা শখ শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। দীর্ঘদিন সমস্যা চলতে থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াও প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ/উ






Loading...
Loading...
লাইফ স্টাইল - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]