সাভারের আশুলিয়ায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পাশের তিনটি শ্রমিক কলোনির অন্তত ১৫ থেকে ১৬টি কক্ষ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক বহুতল আবাসিক ভবন। আগুনের তীব্রতায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ করছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়ার তেঁতুলতলা এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নেভাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমে একটি ঝুটের গোডাউনে আগুন দেখতে পান তাঁরা। পরে আগুন দ্রুত আশপাশে থাকা বিভিন্ন ধরনের ব্যবহৃত পণ্যের অন্তত ১৫ থেকে ১৬টি ছোট গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আগুন পাশের তিনটি শ্রমিক কলোনিতে পৌঁছালে সেখানকার অন্তত ১৫ থেকে ১৬টি কক্ষ পুড়ে যায়।
এ ছাড়া আগুনের প্রভাব পড়ে আশপাশের একাধিক বহুতল আবাসিক ভবনেও। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের আরও ইউনিট এবং ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো কাজে যোগ দেয়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় একপর্যায়ে শ্রমিক কলোনি ও বহুতল আবাসিক ভবনগুলোর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ঝুটের গোডাউনে আগুন জ্বলতে থাকে।
জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মো. মামুন হোসেন বলেন, ‘রাত ৯টা ৩৯ মিনিটে ঝুট ও তুলার গোডাউনে আগুন লাগার খবর পেয়ে এক মিনিটের মধ্যে আমাদের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিটও রওনা দেয়। তবে সড়কে যানজট থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লেগেছে।’
রাত সাড়ে ১২টার দিকে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী বলেন, ‘আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।’
অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জ/শা