সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কেউ এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে বিমানবন্দরে তাঁকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ড. ইউনূসের সরকারের কার্যক্রম নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনা থাকতে পারে। তিনি নিজেও দেশে বসে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। তবে সমালোচনার নামে এ ধরনের হেনস্তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তথা প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করা একজন অভিনেত্রীও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। এসব ঘটনাকে সরকার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস হিসেবে দেখছে বলে জানান তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ওই অভিনেত্রীর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বা ভিভিআইপি সুবিধা পাওয়ার কথা, যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা সরকার খতিয়ে দেখবে।
জ/উ