রাস্তার একদিকে কয়েকজন তরুণ প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে শুরু করেছিলেন, রাস্তার অপর দিক থেকে আরেকটি দল, যাদের গলায় গেরুয়া গামছা, কপালে তিলক। এই দ্বিতীয় দলটি 'দিল্লি পুলিশ জিন্দাবাদ' বলে পাল্টা স্লোগান তুলতে শুরু করেন। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে ১৬৩ নম্বর ধারা বলবৎ ছিল, যার জেরে যে কোনও রকম জমায়েত নিষিদ্ধ। তবে এই দুই জটলা যখন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল, তখন একটি পার্থক্য চোখে পড়ল।
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যারা স্লোগান তুলছিল, তাদের চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে গিয়ে ওই স্থান থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া হলো। অন্যদিকে যারা 'দিল্লি পুলিশ জিন্দাবাদ' স্লোগান দিচ্ছিল, তাদের পুলিশ অনুরোধ করে সেখান থেকে সরিয়ে দিল।
বার্তা সংস্থা বিবিসির বরাতে জানা গেছে, বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করায় অন্তত তিন হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা যাচ্ছে।
যদিও সংবাদ সংস্থা পিটিআই রাতে জানিয়েছে যে আটক হওয়া মানুষের সংখ্যা সাত হাজারেরও বেশি।
১০ই অক্টোবর দিল্লি প্রায় চারটি স্তরবিশিষ্ট দুর্গে পরিণত হয়েছিল। যন্তর মন্তর অবধি পৌঁছতে পারলেও সেখানে অবস্থান করতে পারেননি আজ কেউই।
যন্তর মন্তরের উদ্দেশ্যে আসা প্রত্যেকটি গাড়ি আটকে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলেও জানা গেছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
জ/বা