জ্বালানিসহ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ঢাকায় তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ট এবং কারপাওয়ারশিপের প্রতিনিধিদলের সদস্য জাদ এল সেবালি, মিস আসলি কিলিক ও মিস এমা ওয়ালবার্গ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ।
আলোচনায় সাশ্রয়ী ও কার্যকর বিদ্যুৎ সমাধানের বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। এর মধ্যে কম খরচের এফএসআরইউ (FSRU), এলএনজি (LNG) ও এইচএফও (HFO) ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে আলোচনায় উঠে আসে।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দেশের অব্যবহৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সচল করা এবং সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি সমাধান খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তুরস্কের প্রতিনিধিদল তাদের প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে এবং টেকসই ও কার্যকর উপায়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় সহায়তার সম্ভাব্য সুযোগগুলো খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈঠকে বসার আগ্রহ প্রকাশ করে।
মন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা এবং সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আরও আলোচনা করার বিষয়ে সম্মতি জানান তিনি।
এ সময় মন্ত্রী আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক সুবিধাজনক সুযোগগুলো কাজে লাগাতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ